• ২৪ ফাল্গুন ১৪৩২, রবিবার ০৮ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Tmc

রাজনীতি

মন্ত্রী, বিধায়ক বা প্রক্তন মেয়র নয়, ক্ষোভ উগরে দিতে সাংবাদিক বৈঠক হাওড়ার পঞ্চায়েত প্রধানের

এবারে বিস্ফোরক তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধান। নাম করে সরাসরি আক্রমণ অরূপ রায়কে। দলের ওই ভাঙনের জন্যে দায়ী করলেন মন্ত্রী অরূপ রায়কে। একের পর এক তৃণমূলের অন্তর্দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে আসছে। মঙ্গলবার দলের সভাপতি ও মন্ত্রীত্ব ছেড়েছেন হাওড়ার মন্ত্রী লক্ষ্মীরতন শুক্লা। এদিকে বুধবার সকালে হাওড়ার মহানাগরিক বিশিষ্ট চিকিৎসক ডঃ রথীন চক্রবর্তীর পরে নাম করে জেলা সদরের চেয়ারম্যান অরূপ রায়কে সরাসরি দলের ভাঙনের জন্য দায়ী করলেন তৃণমূলের এক পঞ্চায়েত প্রধান। বুধরার নিজের অফিসে বসেই এক সাংবাদিক সম্মেলনে দলের কান্ডারীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন জগদিশপুরের পঞ্চায়েত প্রধান গোবিন্দ হাজরা। হাওড়ায় দলের ভাঙ্গন আরো বড় হবে। এরজন্যে সরাসরি জেলা সদরের তৃণমূল চেয়ারম্যানকে দোষারোপ করেন তিনি। আগামিদিনে হাওড়ার মানুষ স্বাস্থ্যসাথী পরিষেবা থেকেও বঞ্চিত হতে পারে, এমন আশঙ্কাও প্রকাশ করেন গোবিন্দ হাজরা। আধিকারিকরা ঠিকভাবে কাজ করছে না। সকালে জানানো হচ্ছে আগামীকাল স্বাস্থ্য সাথি কার্ডের জন্যে ছবি তোলা হবে। লিস্ট ধরে সারাদিন ধরে ফোন করে ২হাজার মানুষকে সেই কথা জানানোর পরে রাত ৮টার সময়ে বিডিও অফিস থেকে আবার জানানো হচ্ছে কিট না আসায় আগামীকাল ছবি তোলা যাবে না। মানুষ ভোর চারটে থেকে লাইন দিয়ে তারপরে এই কথা জানতে পারছেন। এত বিজ্ঞাপন দিয়ে স্বাস্থ্য সাথীর কথা প্রচার করে মানুষকে পরিষেবা দিতে না পারলে ভোটের বাক্সে তার প্রতিফলন পড়বে বলেও মনে করেন তিনি। আগামী দিনে দলে আরো বড় ভাঙন আসতে পারে বলেও অভিমত ব্যাক্ত করেন তিনি। ক্ষমতায় আসার পরে সরকার ভালো কাজ করলেও বর্তমানে সরকারি কাজ ভালো হচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন তিনি। দলের এক বিধায়ক কল্যান বন্দোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করে গোবিন্দ হাজরা বলেন, ওনাকে আমি ঘৃনা করি। পাশাপাশি তিনি জানান, দিদি আমাকে কোর কমিটির সদস্য করেন। কালেঘাটে দিদির মিটিং এ ডাক পেলেও হাওড়ায় অরূপ রায়ের মিটিং এ ডাক পেতেন না বলে অভিযোগ। তৃণমূলের জেলা কমিটির বর্তমান সদস্যদের চোর গুন্ডা বলে অবিহিত করেন। ভালো লোকদের নিয়ে কমিটি করলে দলের এমন হাল হতো না। চোর গুন্ডাদের নিয়ে কমিটি নিয়েছেন অরূপ রায়। হাওড়ায় ভরাডুবি অনিবার্য। নতুন সভাপতি প্রসঙ্গে তাঁর মন্তব্য, ভরাডুবির দায় থেকে নিজের বাঁচার তাগিদে অন্যের কাঁধে বন্দুক রাখা। যদিও আগামীদিনে দল বদল করবেন কি না তা স্পষ্ট করেন নি গোবিন্দ হাজরা। পরিস্থিতি দেখে সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানান তিনি। এদিন সকালে সাংবাদিকদের সামনে তৃণমূলের বিরুদ্ধে মূখ খোলেন হাওড়ার প্রাক্তন তৃণমূল মেয়র ডঃ রথীন চক্রবর্তী। তৃণমূল দল থেকে বিদায় নিয়েছে সৌজন্যবোধ এই ভাষায় নিজের ক্ষোভ ব্যাক্ত করেন তিনি। তিনি আরো জানান, হাওড়ার মানুষের জন্যে যে জল প্রকল্পের কাজ শুরু করেছিলেন তিনি, সেই প্রকল্পের উদ্বোধনে আমন্ত্রণ না পাওয়ায় এই ভাবেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন। পাশাপাশি তৃণমূল দলকে প্রাইভেট কোম্পানির সাথে তুলনা করে বলেন এখানে শুধুমাত্র নেতার ঘনিষ্ঠ কারো কথা শুনে চলাই রীতি। অন্য কিছুই দেখা বা শোনা হয়না। চোখ কান ইত্যাদি ইন্দ্রিয় গুলো ঢাকা পড়ে রয়েছে এমন মন্তব্য করেন প্রাক্তন মহানাগরিক। এখানে যারা কাজ করে তাদের এক ঘরে করে দেওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা করা হয়। যারা কাজ করে তারা ব্যাকসিটে চলে যায়। আগামী দিনে যেখানে থেকে মানুষের সেবা করা যাবে, মানুষের কাজ করা যাবে, সেখানেই সে তার পাশেই তিনি থাকবেন বলেও জানান তিনি। হাওড়া জেলা সদর সভাপতির পদ থেকে ও মন্ত্রীত্ব ছেড়ে দেওয়ার কথা প্রাক্তন ক্রিকেটার লক্ষীরতন শুক্লা জানানোর পরেই একে একে দলীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে মূখ খুলছেন অনেকেই। এদিকে নবনিযুক্ত তৃণমূল সভাপতি ভাস্কর ভট্টাচার্য সকলকে নিয়ে চলতে চাইছেন। মান-অভিমান ভুলে আলোচনা করলেই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে বলে তিনি মনে করেন।

জানুয়ারি ০৭, ২০২১
রাজ্য

অনুব্রত মন্ডলের মাথায় রুপোর মুকুট, কটাক্ষ দিলীপের

কেউ বলছেন ঝেঁটিয়ে সাফ করে দিন। কেউ বলছেন থেকে ঠেঙিয়ে পগার পার করে দিন। ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনের আগে জানুয়ারির প্রথমেই তাপ উত্তাপ চরমে উঠেছে। এসবের মাঝেই বীরভূমের দোর্দণ্ডপ্রতাপ তৃণমূল কংগ্রেস নেতা অনুব্রত মণ্ডল মাথায় রুপোর মুকুট পড়ে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি করেছেন।কোথায় পেলেন এই মুকুট? অনুব্রত গিয়েছিলেন নানুরের একটি মেলাতে। সেই মিলন মেলায় উদ্যোক্তারা তাঁকে একটি দু কেজি ওজনের রুপোর মুকুট উপহার দেন। তিনি সেই রুপোর মুকুট পরে মঞ্চে বসেছিলেন। সেই দৃশ্য দেখতে মঞ্চের সামনে হাজির জনতা হা করে তাঁর দিকে তাকিয়ে ছিলেন। অদ্ভুত সেই দৃশ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ঘুরে বেড়াচ্ছে।মুকুট পরে হালকা মেজাজে থাকলেও বিজেপির বিরুদ্ধে হুঙ্কার দিতে ছাড়েননি বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি। তাঁর হুঁশিয়ারি, ঠেঙিয়ে বিজেপিকে পগার পার করে দিন। এডাল থেকে ওডাল উঠলেই হবে নাকি। বড় হনু নাকি? মন্তব্য অনুব্রতর।এদিকে তাঁর মাথায় রুপোর মুকুট দেখে রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ এর মুখ বন্ধ করে রাখতে পারেননি। তিনি কটাক্ষ করতে ছাড়েননি অনুব্রত মন্ডলকে। দিলিপের বক্তব্য, রাজ্য, রাজ্যপাট চলে যাবে। আর মুকুট পরার সময় পাবে না। তাই আগেভাগেই মুকুট পড়ে নিয়েছেন অনুব্রত মণ্ডল। অনুব্রত রুপোর মুকুট নিয়ে রাজনীতিতে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

জানুয়ারি ০২, ২০২১
রাজ্য

তৃণমূল ছাড়লেন শুভেন্দু অধিকারী

সমস্ত জল্পনাকে সত্যি করে তৃণমূলের প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। বৃহস্পতিবার তিনি দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে তাঁর ইস্তফাপত্র পাঠিয়ে দেন। তিনি দলনেত্রীকে পাঠানো চিঠিতে লিখেছেন, আমি এই মুহূর্তে দল এবং দলের দেওয়া সমস্ত পদ ও দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিচ্ছি। দল আমাকে যেসব সুযোগ ও চ্যালেঞ্জ দিয়েছিল তার জন্য আমি কৃতজ্ঞ। একজন সদস্য হিসাবে দলে আমি যে মূল্যবান সময় অতিবাহিত করেছি, আজীবন তা স্মরণে রাখব।ইস্তফাপত্র দ্রুত গ্রহণ করার আবেদন জানান তিনি। তৃণমূলের সঙ্গে প্রায় আড়াই দশকের সম্পর্ক ছিন্ন করলেন শুভেন্দু। গতকালই বিধানসভায় গিয়ে বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন। দু সপ্তাহ আগে মন্ত্রীত্বও ছেড়েছিলেন। আরও পড়ুন ঃ ডিসেম্বরের মাঝেও দেখা নেই শীতের, তবে আশার বাণী শোনাচ্ছে হাওয়া অফিস এভাবেই তিনি দলের সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ত্যাগ করলেন। সম্ভবত শনিবারই অমিত শাহের সভায় বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন প্রাক্তন পরিবহণমন্ত্রী। প্রসঙ্গত, দলের সঙ্গে গত কয়েক মাস তাঁর দূরত্ব তৈরি হচ্ছিল। এরপর তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়কে দলের তরফ থেকে দায়িত্ব দেওয়া হয়, শুভেন্দুর সঙ্গে আলোচনা করে সমস্ত বিষয়টি মিটিয়ে নিতে। কিন্তু তাতেও বরফ গলল না। দলের সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করলেন তিনি।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২০
রাজনীতি

শুভেন্দু অধিকারীর সহায়তা কেন্দ্র ‘দখল’ করল তৃণমূল, মোছা হল গেরুয়া রং

শুভেন্দু অধিকারীর সহায়তা কেন্দ্র দখলের অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে, কাঁথির ৪ নম্বর ওয়ার্ডে। অভিযোগ, শুভেন্দু অধিকারীর সহায়তা কেন্দ্রে চড়াও হন তৃণমূলের কর্মীরা। মুছে দেওয়া হয় গেরুয়া রং। নতুন করে নীল-সাদা রংও করে তাঁরা। বিষয়টি জানাজানি হতেই কার্যত ক্ষোভে ফেটে পড়েন দাদার অনুগামীরা। বহিষ্কৃত তৃণমূল নেতা কনিষ্ক পণ্ডা বলেন, তৃণমূলের কাজই দখল করা। আরও পড়ুন ঃ শুভেন্দুকে বিজেপিতে স্বাগত দিলীপ ও মুকুলের ওরা বরাবরই এভাবে চলছে। কিন্তু আমরা মানুষের মনের দখল নিয়ে ফেলেছি। আইনানুগ ব্যবস্থা নেব। তাঁর কথায়, দিদি অনেক বেশি দেরি করে ফেলেছেন। দিদির তৃণমূলে আর কেউ থাকবে না।শুভেন্দু বিজেপিতে গেলে প্রকাশ্যেই যাবেন। লুকোচুরি করে নয়। তবে এখনই বিষয়ে কিছু বলার নেই। যোগদানের জল্পনাকে খুব একটা গুরুত্ব না দিলেও এদিন দাদার এই অনুগামী বলেন, আমফানের থেকেও প্রবল ঝড় আসছে, গেরুয়া ঝড়। এই মন্তব্যই বাড়িয়েছে জল্পনা।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২০
রাজ্য

নাম না করে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ শুভেন্দুর

অতীতে সিপিএম সাংসদ অনিল বসু ব্যক্তিগত কটু কথার রাজনীতি করতেন বলে মানুষ সমর্থন করত না। সমালোচনা হতে পারে। আমরা কেউ তার উর্ব্ধে নই। কিন্তু যদি কোনও জনপ্রতিনিধি আমাকে বা আমার পরিবারকে ব্যক্তিগত কটূকথা বলে, আপনারা কি তাঁকেও সমর্থন করবেন? এনিয়ে জনতার মতামত নেন শুভেন্দু। জনতা তাঁকে সমর্থন করেন। শুক্রবার হুগলির বলাগড়ে জনসভা থেকে নাম না করে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে আক্রমণ শানালেন রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আরও পড়ুন ঃ জগদ্ধাত্রী পুজোয় ভক্তদের জন্য বন্ধ বেলুড়ের সারদা পিঠ প্রসঙ্গত কয়েকদিন আগে তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় শুভেন্দুর নাম না করে এক দলীয় সভায় বলেছিলেন, হিসাবটা আমরা বুঝে নেব। চলে যা বিজেপিতে। কোনও অসুবিধা নেই। যাবি কংগ্রেসে, চলে যা। তাতেও কোনও অসুবিধা নেই। সিপিএমে যাবি, চলে যা। তাতেও কোনও অসুবিধা নেই। দাদার অনুগামী হলে দাদার সঙ্গে চলে যা। তৃণমূল কংগ্রেস করে বেইমানি করলে বাড়ি ঢুকতে দেব না। দেখি কত বড়। দেখতে চাই কত হিম্মত রয়েছে। বাংলার মাটিতে দেখতে চাই, কোন দাদার কত অনুগামী? লড়াই করতে এসেছি। লড়ে যাব। লড়াইয়ের ময়দানে এক ইঞ্চিও ছাড়ব না। বেইমানদের আগামী দিনে বুঝিয়ে দেব।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নামের গাছের তলায় বড় হয়েছিস। ৪টে মন্ত্রিত্ব পেয়েছিস, ৪ খানা চেয়ারে আছিস। কত পেট্রোল পাম্প করেছিস! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় না থাকলে মিউনিসিপ্যালিটিতে আলু বিক্রি করতিস রে, আলু বিক্রি করতিস।

নভেম্বর ২০, ২০২০
রাজ্য

এবার শুভেন্দুর ছবি দেওয়া হোর্ডিং হাওড়া শহরে

পরিবহণ মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর হোর্ডিং এবার হাওড়া শহরে। হাওড়ার কোনা এক্সপ্রেসওয়ে সংলগ্ন বেলেপোল এর হ্যাংস্যাং ক্রসিংয়ে লাগানো হয়েছে ওই বিশাল হোর্ডিং। নিচে লেখা আমরা দাদার অনুগামী। হোর্ডিংয়ের উপরে লেখা চিত্ত যেথা ভয় শূন্য উচ্চ যেথা শির। এছাড়াও শুভেন্দুকে একজন দক্ষ প্রশাসক, দক্ষ সংগঠক, উদার ও নির্ভীক জননেতা এবং বঙ্গের বন্ধু হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে। হোর্ডিংয়ে রয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর ছবিও। আরও পড়ুন ঃ বাবা-মাকে খুনের ঘটনায় ধৃত ছেলের ২ দিনের পুলিশ হেফাজত এই হোর্ডিংয়ের কিছুটা দূরেই আমরা দাদার অনুগামীর তরফ থেকে লাগানো হয়েছে আরও একটি হোর্ডিং। তাতে লেখা যার কাছে সবকিছু বলা যায়। যাকে চোখ বন্ধ করে ভরসা করা যায়। যাকে আপন বলে ভাবা যায়। যার কাছে বিশ্বাসটুকু রাখা যায়। সেইতো জননেতা। তুমি আমাদের সেই নেতা। আমাদের এই সম্পর্ক যেন থাকে চির অটুট। স্বাভাবিকভাবেই হাওড়া শহরের প্রাণকেন্দ্রে এই দুই হোর্ডিং ঘিরে রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। কে বা কারা এই হোর্ডিং দিয়েছে তা অবশ্য জানা যায়নি।

নভেম্বর ১৯, ২০২০
রাজ্য

বিজেপির বুথ কমিটির সম্পাদক খুন , অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

বিজেপির বুথ কমিটির সম্পাদককে পিটিয়ে খুন করার অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। মৃতের নাম কালাচাঁদ কর্মকার। তিনি বিজেপির বুথ সম্পাদক পদে ছিলেন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে। ঘটনার জেরে বুধবার সকাল থেকে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে তুফানগঞ্জের নাককাটি গাছ গ্রাম পঞ্চায়েতের চামটা গ্রামের কর্মকারপাড়ায়। খবর পেয়ে তুফানগঞ্জ থানার বিশাল পুলিশবাহিনী ঘটনাস্থলে যায়। মৃতের পরিবারের তরফ থেকে লক্ষ্মী বর্মন বলেন, বুধবার সকালে কালাচাঁদবাবুকে রাস্তায় ফেলে মারছিল কয়েকজন। সেই সময় বাড়ির লোকরা বাঁচাতে যায়। ওই সময়ই কালাছাঁদের পেটে লাথি মারা হয়েছে। তখই জ্ঞান হারান তিনি। এরপর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কালাচাঁদকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। পরিবারের তরফ থেকে স্থানীয় তৃণমূল নেতা রঞ্জিত বর্মন, কমল বর্মন, সঞ্জিত বর্মন, নারায়ণ বর্মন ও দিলীপ বর্মনকে এই মারধরের জন্য দায়ী করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, বুধবার সকালে দুই ক্লাবের সদস্যদের মধ্যে ফের বচসা বাধে। শুরু হয় হাতাহাতি। ঘরের সামনে অশান্তি দেখে তা মেটাতে বের হন কালাচাঁদবাবু। অভিযোগ, তখনই তাঁকে বেধড়ক মারধর করা হয়। তড়িঘড়ি রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে ডাক্তাররা মৃত বলে ঘোষণা করে। পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, দুই ক্লাবের বচসার জেরেই এই ঘটনা। মৃত ব্যক্তি অশান্তি মেটাতে গিয়েছিলেন। আপাতদৃষ্টিতে এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও যোগ পাওয়া যায়নি। তবে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। তবে ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পুলিশ কমল বর্মন নামে একজন ব্যক্তিকে আটক করেছে। ইতিমধ্যেই তার মৃতদেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। আরও পড়ুন ঃ প্রয়াত জেলা কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি আভাস ভট্টাচার্য্য বিজেপির তরফে টুইটে বলা হয়েছে, কোচবিহারে বিজেপির বুথ সম্পাদক কালাচাঁদ কর্মকারকে তৃণমূলের গুন্ডাবাহিনী নৃশংসভাবে পিটিয়ে হত্যা করেছে। রক্তের রাজনীতি করে বাংলার মানুষের সমর্থন পাওয়া যায় না মমতা ব্যানার্জী। আপনার দিন গোনার পালা শুরু! অন্যদিকে বিজেপি সাংসদ বাবুল সুপ্রিয় ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, কোচবিহারে বিজেপির বুথ সম্পাদক কালাচাঁদ কর্মকারকে তৃণমূলের গুন্ডা বাহিনী পিটিয়ে হত্যা করেছে, কিন্তু প্রশাসন চোখে কাপড় বেঁধে রেখেছে কোনো পদক্ষেপ না নিয়ে। খুব শীঘ্রই মানুষ এর জবাব দেবে এই অহংকারী সরকারকে।

নভেম্বর ১৮, ২০২০
রাজ্য

অমিত শাহের বাংলা ছাড়ার পরই একাধিক সাহায্য নিয়ে বিভিষণ হাঁসদার দ্বারস্থ তৃণমূল সদস্যা

রাজ্য সফর চলাকালীন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ মধ্যহ্নভোজ করেছিলেন বিভিষণ হাঁসদার বাড়িতে। রাজ্য সফর সেরে শুক্রবার দিল্লিতে ফিরে গিয়েছেন অমিত শাহ। তার পরেরদিন অর্থাৎ শনিবার মিথ্যা পরিচয় দিয়ে বিভিষণ হাঁসদার বাড়িতে গিয়ে সাহায্য করার অভিযোগ উঠল এক তৃ্ণমূল কর্মীর বিরুদ্ধে। সোনাই মুখোপাধ্যায় নামে শাসক দলের এই নেত্রী জেলা পরিষদের নির্বাচিত সদস্যা বলে জানা গিয়েছে। বিভীষণ হাঁসদা নিজের বাড়িতে দাঁড়িয়ে বলেন, উনি এক জন এন.জি.ও কর্মী হিসেবে পরিচয় দিয়ে আমার বাড়িতে এসেছিলেন, সাহায্য করে গিয়েছেন। ওনার কি রাজনৈতিক পরিচয় জানি না। এরপর তিনি জানিয়ে দেন, দিন আনি দিন খাই। অতিতে কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলাম না। ভবিষ্যতেও কোনও রাজনৈতিক দলে যোগ দেবেন না। আরও পড়ুন ঃ বিজেপি যুব মোর্চার কর্মীদের উপর হামলা , অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে এবিষয়ে সোনাই মুখোপাধ্যায় বলেন , স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ফিরে যাওয়ার পর ওনাদের অবস্থার কি পরিবর্তন হয়েছে তা দেখতে ও কিছু খাদ্য সামগ্রী ও আর্থিক সাহায্য নিয়ে গিয়েছিলাম। তৃণমূল নেতা কর্মীরা ও রাজ্য সরকার জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে সবার পাশে আছে, বিজেপি এসব নিয়ে রাজনীতি করছে।

নভেম্বর ০৭, ২০২০

ট্রেন্ডিং

দেশ

সাংবাদিক খুন মামলায় মুক্তি গুরমিত রাম রহিমের! তবু জেলেই থাকতে হবে কেন?

সাংবাদিক হত্যা মামলায় বড় স্বস্তি পেলেন ডেরা সচ্চা সৌদার প্রধান গুরমিত রাম রহিম সিং। ২০০২ সালের এক সাংবাদিক খুনের ঘটনায় সাত বছর আগে তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে সিবিআই আদালত এবং যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা ঘোষণা করা হয়েছিল। তবে এবার সেই মামলায় তাঁকে অব্যাহতি দিল উচ্চ আদালত। যদিও এই রায়ের পরও জেল থেকে মুক্তি পাচ্ছেন না তিনি। কারণ দুটি ধর্ষণ মামলায় ইতিমধ্যেই কুড়ি বছরের কারাদণ্ড ভোগ করছেন এই স্বঘোষিত ধর্মগুরু।রাম রহিমের আইনজীবী জিতেন্দর খুরানা জানান, উচ্চ আদালত সাংবাদিক রামচন্দর ছত্রপতি হত্যা মামলায় তাঁর মক্কেলকে অব্যাহতি দিয়েছে। ২০১৯ সালে সিবিআই আদালত এই মামলায় রাম রহিম, নির্মল সিং এবং কৃষ্ণান লালকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা দিয়েছিল।রামচন্দর ছত্রপতি পুরা সাচ নামে একটি সংবাদপত্র চালাতেন। ২০০২ সালের অক্টোবরে তাঁকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এর কিছুদিন আগে তাঁর পত্রিকায় একটি বেনামী চিঠি প্রকাশিত হয়েছিল। সেই চিঠিতে ডেরা সচ্চা সৌদার সদর দপ্তরে নারী অনুসারীদের উপর যৌন নির্যাতনের অভিযোগ তোলা হয়েছিল।তবে এই মামলায় অব্যাহতি পেলেও জেল থেকে এখনই বেরোতে পারছেন না রাম রহিম। ২০১৭ সালে দুই নারী অনুসারীকে ধর্ষণের মামলায় তাঁকে কুড়ি বছরের কারাদণ্ড দেয় আদালত। সেই সাজা ভোগ করার কারণেই বর্তমানে রোহতকের সুনারিয়া জেলে রয়েছেন ৫৭ বছরের এই ধর্মগুরু।যদিও সরকারি নথিতে তিনি জেলবন্দি থাকলেও বিভিন্ন সময়ে প্যারোলে মুক্তি পাওয়াকে কেন্দ্র করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। গত জানুয়ারিতেই তিনি চল্লিশ দিনের জন্য প্যারোলে মুক্তি পান। হরিয়ানার বিজেপি সরকার তাঁর এই ছুটি মঞ্জুর করেছিল।রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে তাঁকে বিশ দিনের প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়েছিল। এরপর এপ্রিল মাসে আবার একুশ দিনের জন্য প্যারোল দেওয়া হয়। একই বছরের আগস্ট মাসে আবার চল্লিশ দিনের জন্য মুক্তি পান তিনি।এখানেই শেষ নয়। হরিয়ানা এবং পাঞ্জাবের মতো রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের সময়ও একাধিকবার তাঁকে প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। হিসাব বলছে, ২০২০ সাল থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত পাঁচ বছরে মোট তিনশো ছাব্বিশ দিন প্যারোলে জেলের বাইরে ছিলেন রাম রহিম।

মার্চ ০৭, ২০২৬
রাজ্য

বাংলায় এসে বিস্ফোরক মন্তব্য রাষ্ট্রপতির! ‘মমতা হয়তো আমার উপর রাগ করেছেন’

ভোটের আগে বাংলায় রাষ্ট্রপতির সফর ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। সভাস্থল নিয়ে রাজ্য সরকারের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তাঁর অভিযোগ, অনুষ্ঠানের জন্য পর্যাপ্ত জায়গা থাকা সত্ত্বেও রাজ্য সরকার অনুমতি দেয়নি। সেই কারণেই শেষ পর্যন্ত অন্য জায়গায় সভা করতে হয়েছে।শনিবার শিলিগুড়ি মহকুমার গোঁসাইপুরে নবম আন্তর্জাতিক সাঁওতাল সম্মেলনে যোগ দেন রাষ্ট্রপতি। তবে তিনি মঞ্চে ওঠার পর দেখা যায় দর্শকাসনে অনেক চেয়ারই ফাঁকা পড়ে রয়েছে। বিষয়টি নজরে আসতেই তিনি প্রশ্ন তোলেন, এত চেয়ার ফাঁকা কেন। তাঁর সন্দেহ, কেউ হয়তো বাধা দিয়েছে।উদ্যোক্তাদের দাবি, প্রথমে ঠিক হয়েছিল এই সম্মেলন হবে বিধাননগরে। কিন্তু পরে একাধিকবার সভাস্থল বদল করতে হয়। শেষ পর্যন্ত নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে বাগডোগরা বিমানবন্দরের কাছে গোঁসাইপুরে সভা করার অনুমতি দেয় প্রশাসন। তবে আয়োজকদের অভিযোগ, অনেক আমন্ত্রিত অতিথি নিরাপত্তা পাশ না পাওয়ায় অনুষ্ঠানে ঢুকতে পারেননি। পুলিশ তাদের আটকে দেয় বলে অভিযোগ।সভা শেষে রাষ্ট্রপতি সেখানেই থেমে থাকেননি। তিনি শিলিগুড়ি মহকুমার বিধাননগরে যান, যেখানে প্রথমে সভা হওয়ার কথা ছিল। সেখানে গিয়ে গোটা এলাকা ঘুরে দেখেন এবং বলেন, তিনি আসলে এখানেই সভা করতে চেয়েছিলেন। জায়গাও যথেষ্ট ছিল। তবে কেন রাজ্য সরকার অনুমতি দিল না, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, তিনি তাঁর ছোট বোনের মতো। তবে হয়তো কোনও কারণে তিনি তাঁর উপর রাগ করেছেন, সেই কারণেই সভা করতে দেওয়া হয়নি বলে মন্তব্য করেন তিনি।এই অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বা রাজ্যের কোনও মন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন না। এ নিয়েও মন্তব্য করেন রাষ্ট্রপতি। তিনি বলেন, সাধারণত রাষ্ট্রপতি কোনও রাজ্যে গেলে মুখ্যমন্ত্রী বা মন্ত্রিসভার কেউ তাঁকে স্বাগত জানান। সেটাই নিয়ম এবং প্রোটোকল।শেষ পর্যন্ত বিধাননগরে পূর্ব নির্ধারিত জায়গায় একটি শালগাছ লাগিয়ে বাগডোগরা বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা দেন রাষ্ট্রপতি।অন্যদিকে শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব জানান, রাজ্যের পক্ষ থেকে তিনিই রাষ্ট্রপতিকে স্বাগত জানিয়েছেন। জেলা শাসক এবং পুলিশ কমিশনারও উপস্থিত ছিলেন। তাঁর কথায়, এর আগেও রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রণব মুখোপাধ্যায় যখন এসেছিলেন, তখনও তিনি তাঁকে স্বাগত জানিয়েছিলেন। সভাস্থল নিয়ে যে সমস্যা তৈরি হয়েছিল, তা মূলত নিরাপত্তা সংক্রান্ত কারণেই হয়েছে বলেও জানান তিনি।

মার্চ ০৭, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

কাইফকে নিয়ে তীব্র কটাক্ষ আমিরের, টেনে আনলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের নাম

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালের আগে নতুন করে বিতর্ক ছড়ালেন পাকিস্তানের প্রাক্তন পেসার মহম্মদ আমির। এর আগে দুবার তিনি ভারতের বিশ্বকাপ যাত্রা নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন। কিন্তু দুবারই তাঁর কথা ভুল প্রমাণিত হয়েছে। এবার দলকে নয়, সরাসরি ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার মহম্মদ কাইফকে আক্রমণ করলেন তিনি। কাইফকে কটাক্ষ করতে গিয়ে টেনে আনলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের নামও।রবিবার নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলবে ভারতীয় দল। তার আগেই আমিরের মন্তব্য নিয়ে শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্ক। এর আগে তিনি দাবি করেছিলেন, ভারত সেমিফাইনালে উঠতে পারবে না। পরে আবার বলেন, ভারত ফাইনালেও যেতে পারবে না। কিন্তু সেই দুই ভবিষ্যদ্বাণীই ভুল প্রমাণিত হয়। এরপর অনেকের কাছেই সমালোচনার মুখে পড়তে হয় তাঁকে।এই প্রসঙ্গে কাইফ বলেছিলেন, আমিরকে এত গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজন নেই। তাঁর মতে, পাকিস্তানের ক্রিকেটও এখন অনেক পিছিয়ে রয়েছে। কাইফের এই মন্তব্যে বেজায় চটে যান আমির এবং সরাসরি তাঁকে আক্রমণ করেন।আমির বলেন, তিনি কাইফের ক্রিকেট কেরিয়ার সম্পর্কে খুব বেশি জানতেন না। পরে খোঁজ নিয়ে দেখেছেন, কাইফ নাকি আইপিএলে মাত্র উনত্রিশটি ম্যাচ খেলেছেন এবং তাঁর স্ট্রাইক রেটও খুব বেশি নয়। তাঁর দাবি, তিনি নিজে তিনশোরও বেশি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন এবং পারফরম্যান্সের জোরেই ক্রিকেট খেলেছেন। কাইফকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, শুধু ফিল্ডিংয়ের জন্যই তিনি ভারতীয় দলে সুযোগ পেয়েছিলেন। পাশাপাশি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের নাম উল্লেখ করে বলেন, কাইফের উচিত তাঁকে ধন্যবাদ জানানো।তবে কাইফ যে ভারতীয় দলের অন্যতম সেরা ফিল্ডার ছিলেন, তা ক্রিকেট মহলে সকলেই মানেন। অনেক ভারতীয় ক্রিকেটারই স্বীকার করেছেন যে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তাঁরা জাতীয় দলে সুযোগ পেয়েছিলেন।এই বিতর্কে মুখ খুলেছেন ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার নভজ্যোৎ সিং সিধুও। তিনি আমিরকে তীব্র কটাক্ষ করে বলেন, এই ধরনের মানুষদের কথা বেশি গুরুত্ব দেওয়ার প্রয়োজন নেই। তাঁর মতে, শুধু ভবিষ্যদ্বাণী করে ম্যাচ জেতা যায় না। মাঠে নেমে লড়াই করেই ম্যাচ জিততে হয়। সিধুর কথায়, যারা বেশি কথা বলে তারা অনেক সময়ই বাস্তবে কিছু দেখাতে পারে না।

মার্চ ০৭, ২০২৬
বিদেশ

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার মাঝেই বড় সিদ্ধান্ত ইরানের, প্রতিবেশীদের কাছে ক্ষমা চাইল তেহরান

মধ্যপ্রাচ্যে টানা উত্তেজনার মাঝেই আচমকা সুর নরম করল ইরান। শনিবার দেশের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান জানিয়ে দিলেন, প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলির উপর আর নতুন করে হামলা চালানো হবে না। তাঁর এই ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।এক ভাষণে পেজেশকিয়ান বলেন, দেশের অস্থায়ী নেতৃত্ব পরিষদ সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে প্রতিবেশী দেশগুলির উপর আর নতুন হামলা চালানো হবে না। তিনি স্পষ্ট করে জানান, যদি ইরানের উপর সরাসরি আক্রমণ না হয়, তাহলে তেহরানও আর কোনও হামলা করবে না।এর পাশাপাশি সাম্প্রতিক হামলার জন্য প্রতিবেশী দেশগুলির কাছে ক্ষমাও চান তিনি। তাঁর বক্তব্য, অন্য কোনও দেশকে আক্রমণ করার ইরানের কোনও ইচ্ছা নেই। তবে একই সঙ্গে তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, ইরান কখনও আত্মসমর্পণ করবে না।উল্লেখ্য, গত আটাশে ফেব্রুয়ারি আমেরিকা এবং ইজরায়েলের যৌথ হামলার পর থেকেই পালটা আক্রমণ শুরু করে ইরান। প্রথমে মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলিকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হচ্ছিল। পরে সেই হামলার মাত্রা আরও বাড়তে থাকে।এরপর ইরাকের পাশাপাশি কুয়েত, সৌদি আরব, আরব আমিরশাহী, বাহরিন, ওমান এবং জর্ডনের মতো প্রতিবেশী দেশগুলিতেও হামলার অভিযোগ ওঠে। এই পরিস্থিতিতে সৌদি আরবও পালটা হামলার হুঁশিয়ারি দেয়।বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, টানা হামলার কারণে ইরানের সঙ্গে প্রতিবেশী দেশগুলির সম্পর্ক দ্রুত খারাপ হতে শুরু করেছিল। অনেক বন্ধু রাষ্ট্রই ক্রমে বিরোধী অবস্থানে চলে যাচ্ছিল। তাই পরিস্থিতি আরও জটিল হওয়ার আগে কূটনৈতিকভাবে চাপ কমাতেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে তেহরান বলে মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ০৭, ২০২৬
কলকাতা

আবার কি বঙ্গভঙ্গের চেষ্টা? বিজেপিকে নিশানা করে বড় অভিযোগ মমতার

কলকাতায় ধরনা মঞ্চ থেকে আবারও বিজেপিকে তীব্র আক্রমণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, বাংলাকে ভাগ করার পরিকল্পনা করছে বিজেপি। তবে তৃণমূল কংগ্রেস যতদিন রয়েছে, ততদিন বাংলার এক ইঞ্চি জমিও কেউ ভাগ করতে পারবে না বলেই হুঁশিয়ারি দেন তিনি।মমতা বলেন, তিনি সম্প্রতি একটি বার্তা দেখেছেন যেখানে বলা হয়েছে বাংলা এবং বিহারকে ভাগ করে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এই প্রসঙ্গ তুলে তিনি অভিযোগ করেন, বাংলাকে ভাগ করার চক্রান্ত চলছে।ধরনা মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আমি কাল একটি বার্তা দেখলাম। সেখানে বলা হচ্ছে বাংলা এবং বিহারকে ভাগ করে নাকি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল করা হবে। ওদের আসল উদ্দেশ্য বাংলাকে ভাগ করা। আবারও বঙ্গভঙ্গ করার চেষ্টা চলছে।এর পাশাপাশি বিহারের প্রসঙ্গও টানেন তিনি। মমতার দাবি, আগে বিহারকে ভাগ করে ঝাড়খণ্ড আলাদা করা হয়েছিল। এখন আবার বিহারকেও নতুন করে ভাগ করার চেষ্টা চলছে বলেও অভিযোগ তোলেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, এই ধরনের পরিকল্পনার বিরুদ্ধে বাংলার মানুষকে সতর্ক থাকতে হবে।মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্য ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিজেপির বিরুদ্ধে বাংলাকে ভাগ করার অভিযোগ তুলে তিনি কার্যত রাজনৈতিক লড়াই আরও তীব্র করে দিলেন বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

মার্চ ০৭, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ফাইনালের আগে বড় প্রশ্ন! দলে থাকবেন তো অভিষেক? পাশে দাঁড়ালেন কপিল দেব ও রবি শাস্ত্রী

চলতি কুড়ি ওভারের বিশ্বকাপে অভিষেক শর্মার পারফরম্যান্স নিয়ে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে নানা আলোচনা। টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার আগে ভারতীয় ক্রিকেটপ্রেমীদের কাছে তিনি ছিলেন অন্যতম ভরসার নাম। তাঁর ছক্কার ঝড় দেখার অপেক্ষায় ছিলেন অনেকেই। কিন্তু বিশ্বকাপে এখনও পর্যন্ত সেই আগ্রাসী ব্যাটিং খুব একটা দেখা যায়নি। তাই ফাইনালের আগে প্রশ্ন উঠছে, প্রথম একাদশে কি থাকবেন অভিষেক?তবে ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটারদের অনেকেই তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছেন। বিশ্বজয়ী অধিনায়ক কপিল দেব মনে করছেন, দলের উচিত অভিষেকের উপর ভরসা রাখা। তাঁর কথায়, দলের পরিচালকদের খেলোয়াড়ের উপর আস্থা রাখা দরকার। একই সঙ্গে অভিষেকেরও নিজের উপর বিশ্বাস রাখা উচিত। তিনি বলেন, এখনও একটি ম্যাচ বাকি রয়েছে, সেটাই ফাইনাল। তাই শেষ ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ রয়েছে।এই বিশ্বকাপে অভিষেক এখনও নিজের সেরা ছন্দ খুঁজে পাননি। ফর্ম, ফিটনেস এবং আত্মবিশ্বাস সব দিক থেকেই তিনি কিছুটা পিছিয়ে রয়েছেন বলে মনে করছেন অনেকেই। জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে একটি অর্ধশতরান করলেও সেই ইনিংস খুব বেশি আত্মবিশ্বাসী ছিল না বলে মত অনেকের। সেমিফাইনালেও তিনি মাত্র নয় রান করে আউট হন।ভারতের প্রাক্তন কোচ রবি শাস্ত্রীও মনে করছেন, দলে কোনও পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই। তাঁর মতে, অভিষেককে নিজের প্রতিভার উপর ভরসা রাখতে হবে। তিনি বলেন, নিজের দুর্বলতা নিয়ে বেশি চিন্তা না করে শক্তির জায়গাগুলোর উপর আস্থা রাখা দরকার। মাঠে নেমে স্বাভাবিক খেলাটা খেললেই হয়তো এই ম্যাচেই তাঁর সেরা ইনিংস দেখা যেতে পারে। তবে শট নির্বাচনের ক্ষেত্রে আরও সতর্ক হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন শাস্ত্রী।ভারতীয় দলের পরিচালকরাও এখনও অভিষেকের উপর আস্থা রাখছেন বলে জানা গিয়েছে। রান না পেলেও তাঁকে সমর্থন করছেন কোচ গৌতম গম্ভীর এবং অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। ফাইনালের দলেও অভিষেক থাকতে পারেন বলেই ইঙ্গিত মিলছে। তাঁর পাশে থাকবেন ভাল ফর্মে থাকা সঞ্জু স্যামসন। দলের তরফে জানানো হয়েছে, প্রত্যেক খেলোয়াড়ের দিকেই নজর রাখা হচ্ছে এবং অভিষেকের উপর দলের পূর্ণ আস্থা রয়েছে।

মার্চ ০৭, ২০২৬
দেশ

বড় মোড় লোকসভায়! স্পিকার ওম বিড়লার বিরুদ্ধে অনাস্থায় কি বিরোধীদের পাশে তৃণমূল?

লোকসভার অধ্যক্ষ ওম বিড়লার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনার জন্য আগেই নোটিস দিয়েছিল বিরোধী শিবির। এবার বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্যায় শুরু হতেই সেই বিষয়টিকে সামনে রেখেই কৌশল সাজাতে শুরু করেছে বিরোধী জোট। রাজনৈতিক মহলের সূত্রের খবর, এই পর্বে এত দিন একলা চলার নীতি নেওয়া তৃণমূল কংগ্রেসও বিরোধী শিবিরের পাশে দাঁড়াতে পারে।সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে সংসদের বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্যায়। এই অধিবেশনেই লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে সরব হতে চলেছে বিরোধীরা। যদিও কেন্দ্রীয় সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু আগেই জানিয়েছিলেন, অধিবেশনের দ্বিতীয় পর্ব শুরু হওয়ার পর অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে ভোটাভুটি হতে পারে।সূত্রের খবর, সেই ভোটাভুটিতে তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদেরা অনাস্থা প্রস্তাবের পক্ষেই ভোট দিতে পারেন। যদিও অধিবেশনের প্রথম পর্যায়ে এই অনাস্থা প্রস্তাবের নোটিস দেওয়া হয়েছিল বিরোধীদের পক্ষ থেকে। স্পিকার ওম বিড়লা শাসক দলের প্রতি পক্ষপাতমূলক আচরণ করছেন এই অভিযোগ তুলে প্রতিবাদ জানিয়েছিল বিরোধী জোট। সেই নোটিসে মোট একশো কুড়ি জন বিরোধী সাংসদের স্বাক্ষর ছিল। পরে সেই নোটিস খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেন স্পিকার নিজেই।তবে সেই সময় এই প্রস্তাব থেকে দূরত্ব বজায় রেখেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। অনাস্থা প্রস্তাবের নোটিসে স্বাক্ষর করেননি তৃণমূলের সাংসদেরা। সে সময় দলের অন্যতম শীর্ষ নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন, তাদের স্বাক্ষর করতে কোনও আপত্তি ছিল না। কিন্তু তার আগে কংগ্রেসকে একটি চিঠি পাঠানোর প্রস্তাব দিয়েছিল তৃণমূল। সেই চিঠির ভিত্তিতে স্পিকার যদি কোনও পদক্ষেপ না নেন, তার পরেই অনাস্থা প্রস্তাব আনার কথা বলেছিল তারা।কিন্তু এবার পরিস্থিতি বদলাতে পারে বলেই রাজনৈতিক মহলের ধারণা। যদিও প্রস্তাবে স্বাক্ষর করেনি তৃণমূল, তবু অনাস্থা ভোটাভুটির সময় বিরোধী জোটের পক্ষেই দাঁড়াতে পারে রাজ্যের শাসকদল। ফলে লোকসভায় এই বিষয়টি ঘিরে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হওয়ার জল্পনা শুরু হয়েছে।

মার্চ ০৭, ২০২৬
কলকাতা

বেকারদের জন্য বড় চমক! ঘোষণার আগেই ঢুকছে ভাতা, আজ থেকেই টাকা পাচ্ছেন যুবক-যুবতীরা

বাজেট ঘোষণার সময়েই জানানো হয়েছিল, রাজ্যের মাধ্যমিক পাশ করা অথচ এখনও চাকরি না পাওয়া যুবক-যুবতীদের জন্য নতুন ভাতা চালু করবে রাজ্য সরকার। যুবসাথী প্রকল্পের মাধ্যমে প্রতি মাসে দেড় হাজার টাকা করে দেওয়া হবে এই ভাতা।প্রথমে জানা গিয়েছিল, চলতি বছরের অগস্ট মাস থেকে এই টাকা পাওয়া যাবে। পরে সেই সময়সীমা অনেকটাই এগিয়ে এনে ঘোষণা করা হয়, ১ এপ্রিল থেকেই ভাতা দেওয়া শুরু হবে। তবে শনিবার আরও বড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, নির্ধারিত সময়ের আগেই শুরু হচ্ছে এই ভাতা। অর্থাৎ ১ এপ্রিল নয়, শনিবার ৭ মার্চ থেকেই যুবসাথীর টাকা পাওয়া শুরু করবেন বেকার যুবক-যুবতীরা।কলকাতার মেট্রো চ্যানেলে ধরনা মঞ্চ থেকে এই ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ১ এপ্রিল থেকে যেটা ঢোকার কথা ছিল সেটা আজ থেকেই ঢুকবে। যুবসাথীর টাকা আজ থেকেই পাবেন। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা ফেব্রুয়ারি থেকেই দেওয়া শুরু হয়েছে। আমরা যা বলি, তা করি।যুবসাথী প্রকল্পে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে প্রায় পাঁচ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে রাজ্য সরকার। আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকেই গোটা রাজ্যে বিপুল সাড়া পাওয়া গেছে। অফলাইন এবং অনলাইন দুই ভাবেই লাখ লাখ আবেদন জমা পড়েছে।অন্যদিকে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পেও সম্প্রতি ভাতার পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে। রাজ্যের মহিলারা এখন আগের থেকে আরও পাঁচশো টাকা বেশি পাচ্ছেন। তবে এই বিষয়টি নিয়েও রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র চাপানউতোর চলছে। বিরোধীরা অভিযোগ তুলেছে, ভোটের আগে ভাতা দিয়ে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে রাজ্য সরকার। আবার বিজেপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, তারা ক্ষমতায় এলে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের ভাতা তিন হাজার টাকা পর্যন্ত বাড়ানো হবে।এই পরিস্থিতিতে বেকার ভাতা আগেভাগে চালু হওয়ায় রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

মার্চ ০৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal